স্ত্রী-সন্তান-শিক্ষার্থীদের দিয়ে খাতা দেখালে ২ বছর জেল
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে কিছু পরীক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক পরীক্ষক নিজেদের সন্তান, ভাইবোন, এমনকি কোচিংয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে গোপনীয় উত্তরপত্র মূল্যায়ন করাচ্ছেন। এমন অনিয়মে জড়িত থাকলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বলে সতর্ক করেছে শিক্ষা বোর্ড।
শনিবার (১৯ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনত শাস্তিযোগ্য।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার খাতা এখন বিভিন্ন পরীক্ষকের হাতে মূল্যায়নের জন্য যাচ্ছে। এ সময় গোপন সূত্রে খবর আসে যে, অনেকেই খাতা দেখাচ্ছেন নিজ পরিবারের সদস্য বা শিক্ষার্থীদের দিয়ে। এমনকি নম্বরও তারা বসিয়ে দিচ্ছেন, যা খোলা ছিনতাইয়ের সামিল বলে অভিহিত করেছে শিক্ষা বোর্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “পরীক্ষার উত্তরপত্র প্রধান পরীক্ষকের জন্য একটি গোপনীয় ও ব্যক্তিগত আমানত। এটি অন্য কোনো ব্যক্তি দ্বারা মূল্যায়ন করানো দণ্ডনীয় অপরাধ।”
এই অনিয়ম পরীক্ষা পরিচালনা আইন ১৯৮০-এর ৪২ ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয়। কেউ এমন কাজে জড়িত থাকলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড পেতে পারেন।
শিক্ষা বোর্ড দেশের সব পরীক্ষকদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে এবং গোপনে নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে।


