প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফ্যাসিবাদী শাসন দেশকে ঋণ ও আমদানিনির্ভর করেছিল

জাতীয়
ফ্যাসিবাদী শাসন দেশকে ঋণ ও আমদানিনির্ভর করেছিল
১০ আগস্ট ২০২৬

গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন এসব খাত পুনর্গঠনের সময় এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেই লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সোমবার দুপুরে ‘এসডিজি ভিলেজ’ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিএনপির সব পরিকল্পনা জনবান্ধব। সরকারের সহায়তার নেটওয়ার্কও ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন কোনো একটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের একক প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এসডিজির লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায় থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তিন এলাকায় ‘এসডিজি ভিলেজ’

দেশের তিনটি এলাকায় ‘এসডিজি ভিলেজ’ পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এলাকাগুলো হলো—রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।

দেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১৭টি লক্ষ্য বাস্তবায়নে নানা উদ্যোগ

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে নির্বাচিত গ্রামগুলোতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো এবং নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা।

প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন সুযোগ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

মিতিঙ্গাছড়ির বাসিন্দারা এমন একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।