যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন: দীনেশ ত্রিবেদী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, সফর আয়োজন নিয়ে ভারত ‘অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী’ এবং সঠিক সময়ে এ বিষয়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় দেশটি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি অবগত আছেন। দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ও পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার কার্যক্রম থেমে থাকার কোনো কারণ নেই। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক এখন না হলেও পরে হতে পারে। তবে বৈঠকের অপেক্ষায় না থেকে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থের কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, বায়ু, নদী, জলবায়ু ও বন্যপ্রাণীর কোনো সীমান্ত নেই। এসব সীমান্তহীন সমস্যা মোকাবিলায় দুই দেশকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।
হাইকমিশনার বলেন, পরিষ্কার বায়ু ও নির্মল পরিবেশ নিশ্চিত করা এক দিনের কাজ নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পাশাপাশি কার্বন ক্রেডিট, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং হাতি চলাচলের করিডোর ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রেও কর্মকর্তাদের পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি প্রয়োজন।
এর আগে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠকে পরিবেশ, জলবায়ু ও বন্যপ্রাণীসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন ভারতের হাইকমিশনার।
বৈঠক শেষে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের জনগণের স্বার্থ এবং পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও পরিবেশগত নির্ভরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কোনো পক্ষ থেকেই সহযোগিতার পথ বন্ধ হবে না। কর্মকর্তা পর্যায়ে আলোচনা ও যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।


