ড্যান্ডি ডাইংয়ের ঋণখেলাপি মামলা থেকে খালেদা-তারেকসহ ১৬ জন অব্যাহতি
ড্যান্ডি ডাইং লিমিটেডের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের করা ৪৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মোট ১৬ জন বিবাদী ছিলেন।
সোনালী ব্যাংকের আবেদনের ভিত্তিতে গত ১১ নভেম্বর ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক সাদেকিন হাবিব বাপ্পি মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) নিশ্চিত করেন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন।
তিনি জানান, ড্যান্ডি ডাইং প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংকের পুরো বকেয়া টাকা পরিশোধ করায় সোনালী ব্যাংক মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। আদালতও সেই আবেদন গ্রহণ করেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আইনজীবী মোস্তাক আহম্মেদ কয়েলও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৩ সালের ২ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। তখন মোট পাওনা দেখানো হয় ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা।
মামলার বিবাদীদের একজন আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ার পর ২০১৫ সালে ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে মামলার পক্ষভুক্ত করা হয়।
২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন করেন আদালত।
ড্যান্ডি ডাইং লিমিটেড; বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া; দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান; আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান ও দুই মেয়ে জাফিয়া ও জাহিয়া রহমান; প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ; ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও তার স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন; কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার এবং মাসুদ হাসান।


