‘রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলার শহীদদের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা হয়েছিল’—মামুনুল হক

রাজনীতি
‘রাষ্ট্রীয়ভাবে শাপলার শহীদদের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা হয়েছিল’—মামুনুল হক
১৯ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহত অনেকের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।

রোববার (১৯ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ দাবি করেন। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে হেফাজতে ইসলামের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে যায়।

মামুনুল হক বলেন, তদন্তে এখন পর্যন্ত যেসব নিহত ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে, শুধু তাদেরই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তাদের দাবি ছিল, অনেকের মরদেহ পাওয়া যায়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে মরদেহ গুমের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যার ফলে বহু নিহত ব্যক্তির পরিচয় বা অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশে শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং তৎকালীন বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা অংশ নিয়েছিলেন। তাই শহীদদের তালিকায়ও বিভিন্ন পেশা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের মানুষ রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন সম্পর্কে মামুনুল হক বলেন, পুরো প্রতিবেদন এখনো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে কিছু বিষয় সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা তাদের নজরে এসেছে। সেগুলো আরও পর্যালোচনা করে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে প্রসিকিউশনের কাছে তুলে ধরা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি। তাই এ পর্যায়ে সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাথমিকভাবে খসড়া প্রতিবেদনে তাদের অভিযোগগুলোর প্রতিফলন অনেকাংশেই রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে নিহত অনেকের মরদেহ গুমের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক।

রোববার (১৯ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ দাবি করেন। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি জানতে হেফাজতে ইসলামের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে যায়।

মামুনুল হক বলেন, তদন্তে এখন পর্যন্ত যেসব নিহত ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে, শুধু তাদেরই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তাদের দাবি ছিল, অনেকের মরদেহ পাওয়া যায়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে মরদেহ গুমের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যার ফলে বহু নিহত ব্যক্তির পরিচয় বা অবস্থান সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশে শিক্ষার্থী, শ্রমিকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং তৎকালীন বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা অংশ নিয়েছিলেন। তাই শহীদদের তালিকায়ও বিভিন্ন পেশা ও রাজনৈতিক পরিচয়ের মানুষ রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তদন্তের খসড়া প্রতিবেদন সম্পর্কে মামুনুল হক বলেন, পুরো প্রতিবেদন এখনো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে কিছু বিষয় সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা তাদের নজরে এসেছে। সেগুলো আরও পর্যালোচনা করে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে প্রসিকিউশনের কাছে তুলে ধরা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি। তাই এ পর্যায়ে সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে প্রাথমিকভাবে খসড়া প্রতিবেদনে তাদের অভিযোগগুলোর প্রতিফলন অনেকাংশেই রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।