বাংলাদেশে আরাফার রোজা কবে?

ধর্ম
বাংলাদেশে আরাফার রোজা কবে?
নিউজ ডেস্ক
৪ জুন ২০২৫

জিলহজ মাসের ৯ তারিখ, অর্থাৎ আরাফার দিন, ইসলামী ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনটি হাজিদের জন্য আরাফার ময়দানে সমবেত হওয়ার দিন হলেও, যারা হজে অংশগ্রহণ করছেন না, তাদের জন্যও এই দিনটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। এ দিন রোজা রাখা অত্যন্ত মুস্তাহাব এবং এর সওয়াব অসীম।

আরাফার রোজার ফজিলত

হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিনের রোজা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়।” (সহিহ মুসলিম: ২৬১৭) অর্থাৎ, এই রোজা রাখলে দুই বছরের গুনাহ মাফ হওয়ার আশাবাদী হওয়া যায়।

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিনের মতো আর কোনো দিন এত অধিক পরিমাণে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় না। আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার নিকটবর্তী হন এবং বান্দাদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করেন।” (সহিহ মুসলিম: ১৩৪৮)

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

রোজা রাখার সময়সূচি

বাংলাদেশে, ২০২৫ সালে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ (আরাফার দিন) পড়বে ৬ জুন, শুক্রবার। যারা এই দিন রোজা রাখতে চান, তারা ৫ জুন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সাহরি খেয়ে ৬ জুন, শুক্রবার রোজা পালন করবেন।

অন্যান্য আমল

আরাফার দিনে রোজা রাখার পাশাপাশি, অন্যান্য ইবাদতও বিশেষভাবে ফজিলতপূর্ণ। এই দিনটি দোয়া কবুলের দিন হিসেবে পরিচিত। নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আরাফার দিনে আল্লাহ তাআলা তার অসংখ্য বান্দাকে তিনি ক্ষমা করে দেন।” (সহিহ মুসলিম: ১৩৪৮)

তাছাড়া, এই দিনটি ইসলাম ধর্মের পূর্ণতা লাভের দিন। আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন, “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্মকে পূর্ণ করেছি, তোমাদের ওপর আমার নেয়ামত পূর্ণ করেছি এবং তোমাদের জন্য ইসলামকে তোমাদের ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করেছি।” (আল-মায়েদা: ৩)