যে কারণে বিসিবি নির্বাচনে লড়বেন তামিম ইকবাল
চলতি মাসেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল। তিন মাসের এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আসন্ন বিসিবি নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক।
ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন, শুরু থেকেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন। তার ভাষায়, দেশের ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে এবং সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই তার দায়িত্ব।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ক্রিকেটের পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করে তামিম বলেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেট কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছিল, খেলোয়াড়রাও ভুগেছেন। আমরা চাই না, এমন পরিস্থিতি আবার তৈরি হোক।” তিনি জানান, নির্বাচনের পর সুযোগ পেলে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবেন।
নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ তিন মাস হলেও এর আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বোর্ড সভাপতির দায়িত্ব প্রসঙ্গে তামিম ইকবাল বলেন, জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব ও বোর্ড পরিচালনার মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে কেবল দল ও মাঠের বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিতে হয়, কিন্তু বোর্ড প্রধান হিসেবে ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়ন, কোচিং স্টাফ, প্রশাসন—সব কিছু নিয়েই ভাবতে হয় এবং বৃহত্তর স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল-এর নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করে, যার মেয়াদ তিন মাস নির্ধারণ করা হয়েছে।


