দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়
দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী
৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের ইতিহাসে জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে এ বরাদ্দ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না। এ লক্ষ্যেই শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ ও বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এ বছর শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যবই পাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু পাঠ্যবই সরবরাহ নয়, শিক্ষার্থীদের শেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। শিক্ষার্থীরা যেন বইবিমুখ না হয়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

কারিগরি ও ব্যবহারিক জ্ঞানকে বর্তমান সময়ের জন্য অপরিহার্য উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষাদানের প্রচলিত কৌশলে পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি। প্রযুক্তিকে শিক্ষকতার বিকল্প হিসেবে নয়, বরং শিক্ষকদের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সম্প্রসারণ এবং বিনামূল্যে ওয়াইফাই সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষক প্রশিক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। এ জন্য টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোকে আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

শিক্ষকতা যেন মেধাবীদের পছন্দের পেশা হয়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষকতা কোনো বিকল্প বা উপায়হীন পেশা হতে পারে না। মেধাবীরা যাতে শিক্ষকতাকে প্রথম পছন্দ হিসেবে নিতে পারেন, সেভাবেই শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।

শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের মর্যাদা, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করতে হবে।