শুধু একটি নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির: সিইসি
শুধু অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করাই নয়, বরং ভবিষ্যতের প্রতিটি নির্বাচনে একই মান বজায় রাখার টেকসই সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড ধরে রাখার পাশাপাশি আরও উন্নত নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একটি ভালো নির্বাচন আয়োজনের মধ্যেই কমিশনের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোও যেন একই মানদণ্ডে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলাই কমিশনের লক্ষ্য।
সিইসি বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে এমন একটি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে প্রতিবারই ভোটাররা অবাধে ভোট দিতে পারেন এবং নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একই মান বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে। সম্ভব হলে আরও ভালো নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যাশাও রয়েছে তাঁর। এ জন্য সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন
নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে এই অঙ্গীকার সহায়তা করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পোস্টাল ভোটিংয়ের মাধ্যমে প্রবাসী, নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও কারাবন্দীদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে কমিশনের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাদের অঙ্গীকারে কোনো ঘাটতি নেই।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়েও আশাবাদী সিইসি। তাঁর ভাষ্য, কমিশনের ওপর কোনো পক্ষের চাপ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রার্থীদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ।
নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নভেম্বরের মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার না হলেও প্রার্থীদের পেছনে রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকতে পারে। তাই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিইসি বলেন, “রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা খুবই দরকার। এজন্য আমরা তাদের সঙ্গে বসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এই নভেম্বর মাসের মধ্যেই তাদের সঙ্গে বসব আমরা।”
তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই করতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিকল্প নেই। নির্বাচনে জালিয়াতি হলে তা প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে না।
ইউপি নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা, আচরণবিধি প্রয়োগে কঠোরতা
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশন প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান সিইসি। ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকা, নির্বাচনি কর্মকর্তা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইনগতভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং আদালতের নির্দেশনার আওতায় থাকা ইউনিয়ন পরিষদগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রতি ধাপে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউপিতে নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে বলে জানান তিনি।
ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন সিইসি। অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি বাড়ানো এবং আচরণবিধি কার্যকরে কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরে সংযুক্ত ক্যামেরাও থাকবে। এতে সহিংসতা বা অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তা রেকর্ডে রাখার সুযোগ তৈরি হবে।
সিইসি বলেন, আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতেও কমিশনের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।
ভোটার তালিকা সংশোধনে আস্থা ফেরানোর উদ্যোগ
দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচন কমিশনের সামনে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় বলে জানান সিইসি।
২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর কমিশন ও সামগ্রিক নির্বাচনব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনায় উঠে আসে বলে জানান তিনি। বিশেষ করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন ঘিরে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং ভোটকেন্দ্রে নিরাপদে যাওয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছিল।
এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে ভোটার তালিকা হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রায় ৭৭ হাজার কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমে প্রায় ১০ লাখ নারী ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান সিইসি।
তাঁর মতে, ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধারের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
স্বচ্ছতা ও অংশীজনদের সহযোগিতায় গুরুত্ব
ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতে একই মান বজায় রাখতে প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সব অংশীজনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন সিইসি। তাঁর মতে, কমিশনের পদক্ষেপ সম্পর্কে মানুষের স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে, যাতে অনিয়ম বা গোপনীয়তার সুযোগ কমে আসে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল, ভোটার, নাগরিক সমাজ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও এসব পক্ষের সহায়তা কমিশনকে দায়িত্ব পালনে সাহায্য করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এ সহযোগিতা প্রয়োজন।
সাংবাদিকদের নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, সাংবাদিকদের জন্য কমিশনের দরজা উন্মুক্ত। তাঁরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নীতিমালা অনুসরণ করে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।
জাতীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র কমিশন থেকে দেওয়া হবে। স্থানীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রেস ক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা পরিচয়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে জানান তিনি।
অভিযোগ নিষ্পত্তিতে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ প্রতিকারব্যবস্থা কার্যকর রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সিইসি।
তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। নির্বাচনি অনিয়মের প্রতিকার যেন স্থানীয় পর্যায়েই দ্রুত পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে চায় কমিশন।
কালো টাকা ব্যবহার ও ভোট কেনার অভিযোগ পাওয়া গেলে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রার্থীসহ সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান সিইসি।
১০ মাস থেকে এক বছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন
দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে বলে জানান সিইসি। ইতিহাস ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এ সময়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে কার্যক্রম শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহণ করেন। নির্বাচন না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা পরিষদসহ কয়েকটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাঠামো ও কার্যক্রমের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সম্পর্ক রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজনেও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রয়োজন হয়। এ কারণে ইউপি নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ইউপি নির্বাচনের পরপরই পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এসএসসি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষার সময়সূচি এবং বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য বন্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী থাকবে না বলেও জানান সিইসি।
নারী প্রার্থী বাড়াতে প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোকে বড় সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন সিইসি। তাঁর মতে, নারী ভোটারের অংশগ্রহণ থাকলেও প্রার্থী হিসেবে নারীদের এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।
পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের নিরুৎসাহ, সামাজিক বাধা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানিমূলক প্রচারণা নারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণকে নিরুৎসাহিত করতে পারে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
সিইসি বলেন, এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের একক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; রাজনৈতিক দলসহ সমাজের বিভিন্ন পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে।
জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোতে এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য আইনে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
তরুণ ভোটারদের জন্য বাড়ছে সুযোগ
তরুণদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করতে ভোটার হওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণের কথা জানান সিইসি। তিনি বলেন, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা ভোট দিতে পারবেন। আগে বছরের ১ জানুয়ারিকে ভিত্তি ধরে বয়স গণনা করা হলেও এবার নতুন সুযোগের ফলে আরও বেশি তরুণ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
তরুণদের অংশগ্রহণ স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও অংশগ্রহণমূলক করতে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নিরাপদে ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্য
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও ভোটারসহ সব অংশীজনের সহযোগিতা চেয়েছেন সিইসি।
তিনি বলেন, অনিয়ম ও সহিংসতা প্রতিরোধে কমিশন সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। একই সঙ্গে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করা কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য।
সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য ও মানসম্মত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


