ডেঙ্গু জ্বর: সুস্থ থাকতে যা জানা জরুরি

স্বাস্থ্য
ডেঙ্গু জ্বর: সুস্থ থাকতে যা জানা জরুরি
৩১ অক্টোবর ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে দেশে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। টানা কিংবা থেমে থেমে বৃষ্টি, আর্দ্র আবহাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পরিষ্কার পানি এডিস মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি করে। এ কারণে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত থাকতে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার পাশাপাশি রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা, পরীক্ষা এবং জটিলতার বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষ করে জ্বর হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

ডেঙ্গু জ্বরের কারণ

ডেঙ্গু ভাইরাস মূলত এডিস প্রজাতির মশার মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়। এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস অ্যালবপিকটাস—এই দুই প্রজাতির মশা ডেঙ্গু সংক্রমণের অন্যতম বাহক। এডিস ইজিপ্টাই সাধারণত ঘরবাড়ি ও নগরাঞ্চলের আশপাশে বেশি দেখা যায়। অন্যদিকে এডিস অ্যালবপিকটাস গ্রামাঞ্চল, ঝোপঝাড় ও বনজ পরিবেশে থাকতে পারে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো এডিস মশা কামড়ালে মশাটি ভাইরাসের বাহকে পরিণত হতে পারে। পরে সেই মশা অন্য কাউকে কামড়ালে তার শরীরেও ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। এভাবেই মশার মাধ্যমে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ডেঙ্গু ছড়ায়। ভাইরাস প্রবেশের পর সাধারণত ৪ থেকে ১০ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ডেঙ্গু ভাইরাসের ধরন

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপ রয়েছে—ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। কোনো ব্যক্তি একটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলে সাধারণত ওই নির্দিষ্ট সেরোটাইপের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। তবে অন্য সেরোটাইপগুলোতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

এ কারণে একজন ব্যক্তি জীবনে একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন। বিশেষ করে দ্বিতীয়বার ভিন্ন সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে গুরুতর ডেঙ্গু বা জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে প্রত্যেক দ্বিতীয় সংক্রমণেই জটিলতা দেখা দেবে, এমন নয়।

ডেঙ্গুর বর্তমান উপসর্গ

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের লক্ষণ দেখা যায় না। কারও জ্বর ও শরীর ব্যথা বেশি হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে উপসর্গ তুলনামূলক কম বা ভিন্ন হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • হঠাৎ জ্বর আসা;
  • মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা;
  • শরীর, পেশি ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা;
  • বমি বা বমি বমি ভাব;
  • পেটে ব্যথা;
  • শরীরে র‌্যাশ বা ফুসকুড়ি;
  • পাতলা পায়খানা;
  • দুর্বলতা ও অবসাদ।

কিছু রোগীর ক্ষেত্রে গুরুতর উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন—তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া এবং প্রস্রাব কমে যাওয়া। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

জ্বর কমে গেলেই রোগী বিপদমুক্ত—এমন ধারণা ঠিক নয়। ডেঙ্গুর গুরুতর পর্যায় অনেক সময় জ্বর কমার পর শুরু হতে পারে। তাই জ্বরের পাশাপাশি রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা ও সতর্কতামূলক লক্ষণ খেয়াল রাখা জরুরি।

ডেঙ্গুর চিকিৎসা পদ্ধতি

ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। অধিকাংশ রোগী পর্যাপ্ত বিশ্রাম, তরল গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়ক চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। রোগীর অবস্থা ও উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।

জ্বর বা ব্যথার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রোক্সেনসহ অন্যান্য নন-স্টেরয়ডাল প্রদাহনাশক ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে। এসব ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

রোগীকে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার দিতে হবে। পানিশূন্যতা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শে শিরাপথে স্যালাইন দেওয়া হতে পারে। তবে অতিরিক্ত স্যালাইনও ক্ষতিকর হতে পারে, তাই রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তরল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ডেঙ্গুতে কখন কোন পরীক্ষা প্রয়োজন

ডেঙ্গু শনাক্ত ও রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী রক্তের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা বা সিবিসি, হেমাটোক্রিট এবং প্লাটিলেট কাউন্ট করতে দিতে পারেন। রোগের কোন পর্যায়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে, তার ওপর পরীক্ষার ধরন নির্ভর করে।

জ্বরের প্রথম দিকে ডেঙ্গু এনএস-১ অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা যেতে পারে। সাধারণত উপসর্গ শুরুর প্রথম কয়েক দিনে এ পরীক্ষার কার্যকারিতা বেশি থাকে। পরবর্তী সময়ে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে। পরীক্ষার সময় ও ধরন চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেই বারবার প্লাটিলেট পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না। রোগীর শারীরিক অবস্থা, রক্তের অন্যান্য উপাদান এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করতে হবে। শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যা দেখেই রোগীর অবস্থা বা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।

ডেঙ্গু হলে রক্ত দিতে হয় কি

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেই রক্ত পরিসঞ্চালনের প্রয়োজন হয় না। রোগীর রক্তক্ষরণ হচ্ছে কি না, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, রক্তচাপ ও সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।

গুরুতর রক্তক্ষরণ বা নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত প্রয়োজন দেখা দিলে রক্ত বা রক্তের উপাদান দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে শুধু ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়া কিংবা প্লাটিলেট কমে যাওয়ার কারণে রক্ত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

প্লাটিলেট কমে গেলে কি দিতেই হবে

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর অনেক রোগীর প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যেতে পারে। তবে প্লাটিলেট কমলেই তা পরিসঞ্চালন করতে হবে—এমন নয়। রোগীর রক্তক্ষরণ, শারীরিক অবস্থা এবং অন্যান্য পরীক্ষার ফল বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন।

অপ্রয়োজনে প্লাটিলেট পরিসঞ্চালনের ঝুঁকিও রয়েছে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

ডেঙ্গুতে অ্যান্টিবায়োটিকের ভূমিকা

ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত রোগ। তাই সাধারণভাবে ডেঙ্গুর চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই। তবে রোগীর শরীরে একই সঙ্গে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ থাকলে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা উচিত নয়।

একবার ডেঙ্গু হলে কি আবার হতে পারে

একবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর একই সেরোটাইপের বিরুদ্ধে সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাসের অন্য তিনটি সেরোটাইপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। ফলে একজন ব্যক্তি জীবনে একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন।

দ্বিতীয়বার সংক্রমণের ক্ষেত্রে গুরুতর ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই আগে ডেঙ্গু হয়েছিল বলে পরবর্তী সময়ে জ্বর হলে বিষয়টি অবহেলা করা যাবে না।

গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু হলে করণীয়

গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু হলে মা ও অনাগত সন্তানের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মায়ের শারীরিক অবস্থা ও শিশুর প্রয়োজন বিবেচনা করে চিকিৎসক এ বিষয়ে নির্দেশনা দেবেন।

ডেঙ্গু কি ছোঁয়াচে রোগ

ডেঙ্গু সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির স্পর্শ, একই বিছানায় ঘুমানো, একই তোয়ালে ব্যবহার কিংবা একই গ্লাস বা প্লেটে খাবার খাওয়ার মাধ্যমে ছড়ায় না। এটি মূলত সংক্রমিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই ডেঙ্গু রোগীর সঙ্গে স্বাভাবিক সামাজিক মেলামেশায় বাধা নেই।

তবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি। কারণ রোগীর শরীরে থাকা ভাইরাস মশার মাধ্যমে অন্য মানুষের শরীরে ছড়াতে পারে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা। বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশেষ করে যেসব স্থানে পরিষ্কার পানি জমে থাকতে পারে, সেগুলোতে নজর দিতে হবে।

এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস

১. এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই বাড়ির আশপাশে পড়ে থাকা টিনের কৌটা, বোতল, ক্যান, নারিকেলের খোসা, মাটির পাত্র, ফুলের টব ও ফুলদানিতে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। এসব পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে অথবা ব্যবহার অনুপযোগী করে ফেলতে হবে।

২. ছাদবাগান, ছাদের পানির ট্যাংক, খোলা ড্রাম, বারান্দা, গ্যারেজ ও বাড়ির আঙিনা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। এসি ও ফ্রিজের নিচে কিংবা রান্নাঘরের আশপাশে পানি জমে আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে।

৩. নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জমি ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। বিশেষ করে নির্মাণসামগ্রী, টায়ার, মাটির হাঁড়ি, পরিত্যক্ত গাড়ি ও অন্যান্য পাত্রে পানি জমতে দেওয়া যাবে না।

৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, নার্সারি, রেস্তোরাঁ, দোকানপাট এবং এসব প্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। নিয়মিত পরিবেশ পরিদর্শন করে পানি জমার স্থান শনাক্ত করতে হবে।

৫. গাছের গোড়া, পাতার কোটর, বাঁশের গিঁট ও ডালপালার ফাঁকে পানি জমতে পারে। এসব স্থানও নিয়মিত পরীক্ষা করে পানি সরিয়ে ফেলতে হবে।

৬. সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে মশার লার্ভা ও পূর্ণাঙ্গ মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো প্রয়োজন।

মশার কামড় থেকে বাঁচার উপায়

১. দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।

২. শিশুদের ফুলহাতা জামা ও লম্বা প্যান্ট পরাতে হবে। পা ঢেকে রাখার জন্য জুতা বা কেডস ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. ঘরের দরজা-জানালায় মশা প্রতিরোধক জাল লাগানো যেতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী মশার কয়েল বা অনুমোদিত মশা প্রতিরোধক স্প্রে ব্যবহার করা যায়।

৪. শরীরের খোলা অংশে উপযোগী মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করা যেতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে পণ্যের নির্দেশনা ও বয়সসংক্রান্ত সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু ব্যক্তিগত সচেতনতার বিষয় নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মস্থল, স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। জ্বর বা সতর্কতামূলক কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।