৬০ পৌরসভায় স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে বড় অর্থ বরাদ্দ

স্বাস্থ্য
৬০ পৌরসভায় স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে বড় অর্থ বরাদ্দ

ছবি: সংগৃহীত

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের ৬০টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তির ৫০ কোটি টাকা ছাড় করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর প্রথম কিস্তি হিসেবে ৬০টি পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অনুকূলে ৫০ কোটি টাকা ছাড় করা হচ্ছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-২য় পর্যায়’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোতে এ অর্থ দেওয়া হবে।

বরাদ্দ পাওয়া পৌরসভাগুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, পাবনা, আড়াইহাজার, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নাটোর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, কুমিল্লা, ঝালকাঠি, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার পৌরসভা রয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, বরাদ্দের অর্থ কেবল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় করতে হবে। এর আওতায় থাকবে প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ রোগের চিকিৎসা।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা ও যোগাযোগ কার্যক্রম এবং স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যয়ও এ অর্থ থেকে নির্বাহ করা যাবে।

পৌরসভার জনসংখ্যা, আয়তন ও স্থানীয় প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নির্ধারণ করে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থ ব্যবস্থাপনায় সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যয়ের সচিত্র অগ্রগতি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় এবং হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।