বিমানমন্ত্রী

জরুরি হাই লেভেল কমিটির সুপারিশে আরও উড়োজাহাজ কিনবে সরকার

জাতীয়
জরুরি হাই লেভেল কমিটির সুপারিশে আরও উড়োজাহাজ কিনবে সরকার
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে উড়োজাহাজের ঘাটতি রয়েছে। এ সংকট কাটাতে জরুরি ভিত্তিতে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেন, হাই লেভেল নেগোশিয়েশন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। একই সঙ্গে পুরো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। পরে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়ন এবং এয়ারবাস কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

দ্রুত উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ

বৈঠকে বিমানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিমানের বহরে প্রয়োজনের তুলনায় উড়োজাহাজের সংখ্যা কম। এ কারণে দ্রুত নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রাখা হবে। হাই লেভেল নেগোশিয়েশন কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এইচআরসিএম স্ট্যাটাস প্রত্যাহারের চেষ্টা

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের কার্গো পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়টিও উঠে আসে। মন্ত্রী জানান, ২০১৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশকে হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল (এইচআরসিএম) স্ট্যাটাস দেয়। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে কার্গো পরিবহনে সময় ও ব্যয়—দুটিই বেড়েছে।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিমানবন্দরে প্রয়োজন অনুযায়ী এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিস্টেম (ইডিএস) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি পরিচালিত অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সন্তোষজনক রেটিং পেয়েছে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে এইচআরসিএম স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে সরকার আশা করছে।

এভিয়েশন হাবে সহযোগিতা করবে যুক্তরাজ্য

ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের বিকাশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগেও যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

বৈঠকে ঢাকার তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে মেনজিস এভিয়েশনের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।