জাল সনদে চাকরির অভিযোগ, মতিঝিল আইডিয়ালের ২৩ শিক্ষককে দুদকে তলব

জাতীয়
জাল সনদে চাকরির অভিযোগ, মতিঝিল আইডিয়ালের ২৩ শিক্ষককে দুদকে তলব
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভুয়া ও জাল বিএড সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১ অক্টোবর কলেজটির অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিএড সনদের মূল কপি ও প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরে গত ২৪ সেপ্টেম্বর কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

নির্ধারিত দিনে শিক্ষকদের বিএড সনদের মূল সার্টিফিকেট, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। কোনো শিক্ষক জরুরি কারণে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারলে তার সনদের মূল কপি, ফটোকপি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অধ্যক্ষের জিম্মায় রাখার জন্যও অনুরোধ করেছে দুদক।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

দুদকের তালিকায় থাকা শিক্ষকরা হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন ও এন এম মঞ্জুরুল হক।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, এসব শিক্ষক দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা থেকে বিএড সনদ নিয়েছেন। সনদগুলোকে প্রাথমিকভাবে জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে সনদের বৈধতা ও অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের পরই নির্ধারিত হবে।

জানা গেছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা করার অভিযোগের পর দুদক বিষয়টি অনুসন্ধানে নেয়। এ জন্য সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামানকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের তলব করা হয়েছে।

আগামী ১ অক্টোবর শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ ও সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে অনুসন্ধানের পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।