হাসনাত-সারজিসকে ১০০ বার কল দিলেও রিসিভ করে না
২০২৪ সালের ‘জুলাই অভ্যুত্থানে’ প্রাণ হারান কিশোর শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদ। একবছর পর সেই রক্তঝরা স্মৃতির সামনে দাঁড়িয়ে আজও তার পরিবার প্রতীক্ষায়—একটু সহানুভূতির, একটিবার খোঁজ নেওয়ার।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনাসভায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে এসব কথা বলেন শহীদ আবদুল্লাহর মা ফাতেমা তুজ জোহরা।
“আমার ছেলের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যারা আজ ক্ষমতায়, তারা একবারও ফিরে তাকায়নি” — বলেন তিনি।
তিনি জানান, ৫ আগস্ট বিমানবন্দর এলাকায় গুলিতে নিহত হয় তার ১৭ বছর বয়সী বড় ছেলে আবদুল্লাহ। তার মৃত্যুর ১৪ দিনের মাথায় ছোট ছেলের ক্যানসার ধরা পড়ে, এবং চলতি মাসেই তার আরও একটি অপারেশন রয়েছে। এর মধ্যে মে মাসে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা যান তার স্বামী।
❝“আমরা বিএনপি পরিবার না হলে আমার ছোট ছেলেটাও বাঁচত না। অন্তবর্তী সরকার তো আমাদের খোঁজও নেয় না। সারজিস আর হাসনাতদের শতবার ফোন দিলেও তারা ধরেন না,”❞ — বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহত-আহতদের পরিবারগুলোর জন্য সম্মানসূচক আসনের ব্যবস্থা ছিল। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ক্ষমতায় এলে এসব পরিবারকে ‘বিশেষ সুবিধা’ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।


