বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় করণীয় দোয়া

ধর্ম
বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় করণীয় দোয়া
নিউজ ডেস্ক
২৮ এপ্রিল ২০২৬

বৃষ্টি মহান আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত। এই নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং আল্লাহর রহমত কামনায় ইসলাম ধর্মে বৃষ্টির সময় বিশেষ কিছু দোয়া পাঠের কথা বলা হয়েছে। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিজেও বৃষ্টির সময় দোয়া করতেন এবং উম্মতকে তা করতে উৎসাহিত করেছেন।

বৃষ্টির জন্য দোয়া

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ، اللَّهُمَّ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَنْتَ الْغَنِيُّ وَنَحْنُ الْفُقَرَاءُ، أَنْزِلْ عَلَيْنَا الْغَيْثَ وَاجْعَلْ مَا أَنْزَلْتَ لَنَا قُوَّةً وَبَلَاغًا إِلَى حِينٍ

উচ্চারণ:
আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন… (সংক্ষেপে)

অর্থ:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক, পরম দয়ালু ও দয়াময়। প্রতিদান দিবসের মালিক। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি যা ইচ্ছা তাই করেন। হে আল্লাহ, তুমি অমুখাপেক্ষী আর আমরা তোমার মুখাপেক্ষী। আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষণ করো এবং এই বৃষ্টিকে আমাদের জন্য শক্তি ও কল্যাণের উৎস বানাও।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

হাদিসে বর্ণিত আছে, অনাবৃষ্টির সময় সাহাবায়ে কেরাম নবীজি (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করলে তিনি এ দোয়া করেন এবং আল্লাহর রহমতে বৃষ্টি বর্ষণ শুরু হয় (সূত্র: আবু দাউদ)।

বজ্রপাতের সময় দোয়া

اللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা লা তাকতুলনা বিগাদাবিকা…

অর্থ:
হে আল্লাহ, আপনার গজব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করবেন না এবং আপনার শাস্তি দিয়ে নিঃশেষ করবেন না। এর আগেই আমাদের নিরাপত্তা দিন।

এই দোয়াটি বর্ণনা করেছেন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) (সূত্র: তিরমিজি)।

সংক্ষিপ্ত জিকির

বজ্রধ্বনি শুনে নবীজি (সা.) “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” পাঠ করতেন। এটি আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা প্রকাশের একটি সংক্ষিপ্ত জিকির, যার ফজিলতও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।

করণীয়

বৃষ্টির সময় আল্লাহর কাছে রহমত কামনা করা

বৃষ্টির পানি গায়ে লাগানো (সুন্নত হিসেবে)

বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পাশাপাশি দোয়া পড়া

ইসলামে প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোকেও আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে দেখা হয়। তাই এসব সময় দোয়া, জিকির ও কৃতজ্ঞতার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সুযোগ রয়েছে।