মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখালেন ট্রাইব্যুনাল

অপরাধ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মোজাফফরকে গ্রেপ্তার দেখালেন ট্রাইব্যুনাল
২৩ জুলাই ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে চলমান মামলায় মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মাধ্যমে মামলায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে আনা হলে তাকে হাজতখানায় রাখা হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে আদালতে হাজির করা হলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এর আগে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মোজাফফর হোসেনকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

প্রসিকিউশনের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিঃদ্রঃ সংবাদে উল্লেখিত অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের বক্তব্য ও আদালতের কার্যক্রমের অংশ। অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনো হয়নি।

প্রসিকিউশন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে মোজাফফর হোসেনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।

প্রসিকিউশন জানায়, মোজাফফরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে বৃহস্পতিবার হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

উল্লেখ্য, প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।