আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি ২৭৩ মিলিয়ন ডলার, কমছে অর্থছাড় : ইআরডি

আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি ২৭৩ মিলিয়ন ডলার, কমছে অর্থছাড় : ইআরডি
৩০ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে নতুন করে যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ আসছে, তার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ চলে যাচ্ছে আগের ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। বিপরীতে পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার।

রোববার (৩০ আগস্ট) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইআরডির হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ে নতুন ঋণের তুলনায় বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ২৭৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে যে এক ডলার ঋণ এসেছে, তার বিপরীতে প্রায় আড়াই ডলার পুরোনো ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

গত অর্থবছরের একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় হয়েছিল ২০৮ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে ঋণ ছাড় কমেছে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

অন্যদিকে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হলেও চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে হয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।

বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ায় কিস্তি পরিশোধের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। তবে এর বিপরীতে নতুন প্রকল্পের অর্থছাড় প্রত্যাশিত গতিতে না হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহে চাপ তৈরি হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন ঋণপ্রবাহের গতি কমে গিয়ে পুরোনো ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বাড়তে থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থপ্রবাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।