দেশে ১৫টি বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৫টি বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে আগামী কয়েক মাসে এসব প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশের জ্বালানি রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম ২০২৬-এ বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরে এ তথ্য জানিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ফোরামে বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ।
ফোরামের গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন কনফারেন্সের মন্ত্রিপর্যায়ের একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। সেখানে জলবায়ু অগ্রাধিকারকে বাস্তবায়নযোগ্য ও বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, সহায়ক অবকাঠামো এবং জ্বালানি খাতের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন আশিক চৌধুরী।
আলোচনায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের দায়িত্বে থাকা তিনটি সংস্থাকে একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ গঠনের ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিনিয়োগকারীরা কী ধরনের সুবিধা পাবেন, সে বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। জবাবে আশিক চৌধুরী বিনিয়োগ উন্নয়নের কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
ফোরামে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশের বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও সুযোগ তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জ্বালানি রূপান্তরের অগ্রাধিকারগুলোকে বাস্তব প্রকল্পে রূপ দিতে সরকার ও বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের পাইপলাইনে থাকা ১৫টি বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প পিপিপির ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের অংশ। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং জ্বালানি খাতে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রকল্পগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা, বিনিয়োগের পরিমাণ ও বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।


