“ব্যবসার উপাদান নয় আমার সন্তানরা” : পরীমণি

বিনোদন
“ব্যবসার উপাদান নয় আমার সন্তানরা” : পরীমণি
নিউজ ডেস্ক
১৬ আগস্ট ২০২৫

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণি আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন। এবার তার ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু—নিতান্তই ব্যক্তিগত একটি অনুষ্ঠানে সন্তানদের ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ‘ভিউ’ বাণিজ্য করা।

শনিবার (১৬ আগস্ট) নিজের ছেলে পদ্মর অসুস্থতার একটি ছবি পোস্ট করে পরীমণি জানান, তার সন্তান জ্বরে ভুগছে। এই সময়টাতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকলেও, কেউ কেউ এ সুযোগকে ব্যবহার করছেন সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরির জন্য।

ছবির ক্যাপশনে পরীমণি লেখেন,
“ছেলের এমন জ্বর। একজন মায়ের এই অবস্থায় কী চলে জীবনে, সেটা সেই মা-ই জানে শুধু। এর মধ্যে যে বা যারা আজকে আমার মাথা গরম করছে তাদেরকে একটারেও আমি ছাড়তেছি না।”

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি আরও যোগ করেন,
“তোদের ভাইরাল হওয়ার খুব দরকার না। দাঁড়া, করতেছি তোদের ভাইরাল জুতার বাড়ি দিয়ে।”

জানা গেছে, সম্প্রতি ছেলে পদ্মর তৃতীয় জন্মদিন উপলক্ষে ঘরোয়া আয়োজনে নিকট আত্মীয় ও বন্ধুদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন পরীমণি। এ অনুষ্ঠান ছিল তার জন্য একান্তই ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক।

কিন্তু সেই অনুষ্ঠান থেকেই অননুমোদিতভাবে ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। এতে বেজায় ক্ষেপেছেন পরীমণি।

একটি স্ট্যাটাসে আরও কঠোর ভাষায় অভিনেত্রী লেখেন—
“আমার সব রকম আনন্দে যাদেরকে আমি কাছে চাইছি, তারা প্রত্যেকেই প্রমাণ করেছে তারা আমার জীবনের গু মাত্র। এবার যেটা পারতেছি, সেটা হলো কবর দিয়ে দেয়া।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
“আগেই বলেছিলাম, আমার বাচ্চারা কোনো ব্যবসার উপাদান না। সামনে পরলে থাবড়ায়ে দিবো।”

পরীমণি বরাবরই নিজের পরিবার, বিশেষ করে সন্তানদের নিয়ে প্রকাশ্যে আবেগপ্রবণ থাকেন। এর আগেও তিনি সন্তানদের ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে এবার বিষয়টি নিয়ে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর অবস্থানে গেছেন।

তার এই স্ট্যাটাস ঘিরে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ বলছেন, প্রকাশ্য ফেসবুক পোস্টে এতটা কড়া ভাষা না ব্যবহার করাই ভালো হতো।

পরীমণির মতো একজন তারকার জীবন যেমন আলোতে ভরা, তেমনি তা ছায়ারও কম নয়। কিন্তু সন্তানদের ঘিরে যেকোনো মায়ের আবেগই সর্বোচ্চ—আর সেই জায়গা থেকেই এই প্রতিবাদ বলেই মনে করছেন নেটিজেনদের একাংশ।