প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদাবাজির দুঃসাহস কার, প্রশ্ন নাহিদের

রাজনীতি
প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদাবাজির দুঃসাহস কার, প্রশ্ন নাহিদের
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন করেন, প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের মতো দুঃসাহস কারা দেখাতে পারে।

নাহিদ ইসলাম লেখেন, রাতের আঁধারে জুলাইয়ের আন্দোলনের সহযোদ্ধা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের এমন দুঃসাহস কারা দেখাতে পারে।

আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনো স্থাপনা দখল বা উদ্ধারের চেষ্টা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি বলেন, কোনো স্থাপনা অবৈধ হলে বা কেউ দখল করে রাখলে তা উদ্ধারের জন্য আইন ও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আইনি পথ বাদ দিয়ে সারাদেশে ক্ষমতাসীনদের এমন আচরণ কীসের ইঙ্গিত, সে প্রশ্নও রাখেন তিনি।

পোস্টে বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগও করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর থেকেই বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব শুরু হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের সময়কার বিভিন্ন চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের কাঠামো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এর পরিমাণ ও আওতা আরও বেড়েছে।

তবে এসব অভিযোগ নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক বক্তব্য। অন্যদিকে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন। ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটির সঙ্গে চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি; নিউ গিনি প্রপার্টিজের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার নিউ গিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। একই আবাসন প্রকল্পের অফিস ও আশপাশের এলাকাতেও ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় সালমান মুক্তাদির চাঁদা না দেওয়ার কারণে হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হামলায় জড়িতদের বিষয়ে তদন্তের ফলাফলই চূড়ান্ত তথ্য দেবে।