জামায়াত সবসময় দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে: রিজভী

রাজনীতি
জামায়াত সবসময় দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে: রিজভী

ছবি: সংগৃহীত

১০ অক্টোবর ২০২৬

বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জিয়া স্মৃতি পাঠাগার আয়োজিত ‘কমল কুঁড়ি’ রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, ১৯৭১, ১৯৮৬ ও ২০২৪ সালেও জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থানে একই প্রবণতা দেখা গেছে। দলটি সব সময় রাষ্ট্রীয় স্বার্থের আগে নিজেদের দলীয় স্বার্থকে স্থান দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, কোনো ব্যক্তির অপরাধের মাত্রা বিবেচনা না করে বিষয়টিকে দ্রুত রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের অন্যতম প্রধান নেতা এখন রেমিট্যান্স ‘শাটডাউন’ করার কথা বলছেন।

রেমিট্যান্স বন্ধের আহ্বান কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেই প্রশ্ন তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রবাসী আয় বন্ধের হুমকি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। প্রবাসী আয় দেশের উন্নয়ন ও জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন, এই চালিকাশক্তি বন্ধের হুমকি দিয়ে কী ধরনের রাজনীতি করা হচ্ছে।

ছাত্ররাজনীতির ভূমিকা তুলে ধরে রিজভী বলেন, ছাত্ররাজনীতিকে শুধু মিছিল, মিটিং ও স্লোগানে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। শিক্ষার্থীদের সমাজ, রাষ্ট্র, দেশের অভ্যন্তরীণ প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্বরাজনীতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। মেধা, জ্ঞান ও গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রদলকে নিজেদের বিকশিত করতে হবে।

তিনি বলেন, একসময় তরুণদের নিয়ে হতাশা প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের আন্দোলনে তরুণেরা অগ্রসৈনিকের ভূমিকা পালন করে সেই হতাশাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। তরুণদের শক্তি ও চেতনা সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে, ওই আন্দোলন তার প্রমাণ।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ‘কমল কুঁড়ি’র আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি, বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দীন আহমেদ উজ্জ্বল এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খানসহ অন্যরা।